এই বইয়ে বহির্জাগতিক সভ্যতা বিষয়ক সাহিত্য; ডাউনলোড করুন
এবং আপনার নিজের জন্যই না হয় একবার পড়ে দেখুন!

রায়েলিয়া আন্দোলন

 FAQ #

[ Edit ]   

 Category: ইলোহীমের বার্তাসমূহ

  • ইলোহীমকে কে সৃষ্টি করেছেন ?
    আমরা যদি গডকে বিশ্বাস করে থাকি , তাহলে সম্ভবত জিঞ্গেস করবো, "কে গডকে সৃষ্টি করেছে?", আমরা যদি 'বিবর্তন' এবং 'বিগ ব্য়াং' কে বিশ্বাস করে থাকি , তাহলে সম্ভবত জিঞ্গেস করবো, "এই 'বিবর্তন' বিষয়টি এবং এই শক্তি যা 'বিগ ব্য়াং' কে সৃষ্টি করেছে তা কোথা হতে এসেছে?" ইলোহীমের খ্খেত্রে এই একই ঘটনা ঘটবে , তাদের সৃষ্টি করেছে আকাশ থেকে নেমে আসা একদল মানুষ ৷ এটা জীবনের একটা অনন্ত চক্র ৷ একদিন পৃথিবীর বিঞ্গানীরাও অন্য় গ্রহে যাবে এবং সেখানে জনপূর্ণ করবে ৷
  • তাদের কেন একটি দূতাবাস প্রয়োজন ?
    তারা কোন আক্রমনকারী নয় ৷ তারা পৃথিবীতে আসার জন্য় তাদের ইচ্ছাকে ব্য়ক্ত করেছে কিন্তু সেই সাথে তারা আমাদের না বলার অধিকারকেও শ্রদ্ধা করে ৷ তাদেরকে আমন্ত্রিত করার ইচ্ছাটা আমাদের উপর নির্ভর করে , এবং আমাদের এর অর্থই হল সেই 'দূতাবাস'৷ কেবল এতটুকুই আমরা করতে পারি ৷ একটি দূতাবাসের নিরপেখ্খতা ব্য়তীত , একটি অনানুষ্ঠানিক , অঘোষনাকৃত এবং অনাকাঙ্খিত আগমন এর ফলাফল স্বরুপ ঘটতে পারে পৃথিবীব্য়পী রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক এবং সামাজিক খ্খেত্রে ধ্বংসাত্বক প্রতিক্রিয়া ৷ তারা রায়েলিয় দর্শন ব্য়তীত অন্য়কোন সংগঠনের সাথে প্রথমে যোগাযোগ করে অন্য়কোন সরকার , ধর্ম বা ভাবধারায় সমর্থনে ইচ্ছুক নন ৷ এভাবে , তারা কেবল তখনই আসবে যখন আমরা তাদের দূতাবাস তৈরী করবো , এটাই হচ্ছে আমাদের প্রতি তাদের ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা ৷ তাদের নির্দেশনা অনুসরন করেই রায়েল 'রায়েলিয় আন্দোলন' গড়ে তুলেন, একটি মুনাফাবিহীন আন্তর্জাতিক সংগঠন , যা একত্রিত করে সেসকল মানুষদের যারা সাহায্য় করতে আগ্রহী ৷ এটি একটি সম্পূর্ণ মুক্ত সংগঠন , যা তৈরী হয়েছে তথ্য় দেয়ার জন্য় জোড় করে বুঝানোর জন্য় নয় , এবং সেসকল মানুষদের যুক্ত হতে অনুমতি দেয় যারা সাহায্য় করতে আগ্রহী এবং তারা তাদের ইচ্ছামত তা ছেড়েও দিতে পারে ৷ রায়েলিয় আন্দোলনের কোন সদস্য়ই কখনও কোন বেতন পায়না , এতে স্বয়ং রায়েলও অন্তর্ভুক্ত ৷
  • তারা (ইলোহীম) কেন নিজেদেরকে সকলের নিকট প্রদর্শন করেনা , যাতে আমরা রায়েলের দাবিকে?
    কিছুখ্খন এই দৃশ্য়টি কল্পনা করুন - একজন শক্তিমান , যে তখনও পর্যন্ত অদেখা , যে আকস্মিকভাবে উপস্থিত হয় পৃথিবীতে এবং জোড়ালোভাবে দাবী করে , পৃথিবীতে আমাদের অস্তিত্বের জন্য় তারা দায়ী এবং তাদের আগমন ঘটেছে একটি অপার্থিব মহাকাশ যান দিয়ে ৷ এই দৃশ্য় দেখে মানুষের কি প্রতিক্রিয়া হবে যে , মানুষের মত দেখতে কিছু প্রাণী মহাকাশ যান থেকে অবতরন করছে ? তাদেরকে অনাহূত প্রবেশকারী ভেবে ভুল হতে পারে এবং ফলস্বরুপ সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রতিশোধমূলক হুমকি দেয়া হতে পারে ৷ এটা শান্তিপূর্ণভাবে ঘটার জন্য় উভয় পখ্খের মধ্য়ে একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ের সমঝোতার প্রয়োজন ৷ রায়েল বলেছেন যে , মানুষকে মানানোর জন্য় ইলোহীম কোনরুপ অলৌকিক ঘটনার আশ্রয় নিবেনা , যেমনটি করেছিল যিশু খ্রিস্টের সময়ে ৷ এটা অনুধাবন করা গুরুত্বপূর্ণ যে , ইলোহীম চাননা আমরা তাদের পূজা করি , তারা চান তাদের এবং একে অপরের প্রতি আমাদের ভালবাসা ৷ তারা আশা করে আমরা সত্য়টিকে বুঝবো সম্পূর্ণভাবে এই প্রত্য়াশার সাথে যে , আমরা তাদের কাছ থেকে শিখতে পারবো এবং একদিন অংশগ্রহন করতে পারবো পৃথিবীতে বিদ্য়মান বিশাল ঞ্গান ভান্ডারে , এভাবে সবার সচেতনতাকে উন্নীত করতে পারবো ৷

    এটি ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় , যেহেতু এখন আমরা যতটুকু প্রযুক্তিগত বিদ্য়া পুঞ্জিভুত করেছি তা আমাদের অস্তিত্বের গঠনকৌশল উপলব্ধি জন্য় যথেষ্ট ৷ যদিও সহজভাবে বর্ণিত হয়েছে , বার্তাটিতে সকল মৌলিক তথ্য় রয়েছে যা , আমাদের সূত্রপাতের বাস্তবতাকে , আমাদের গ্রহের বর্তমান বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে এবং কি নিদর্শন গুলো স্থানান্তরিতকরনের মাধ্য়মে মনুষত্বের সম্ভাবনা
    গুলোতে পৌছাতে পারি তা বুঝতে সাহায্য় করে ৷ যদি এবং যখন সেই সময় আসবে , প্রকৃতপখ্খে ইলোহীম তখন আমাদের সাথে সাখ্খাত করতে আসবে , সচেতন স্বতন্ত্র মানুষে পূর্ণ গ্রহের আমন্ত্রিত অতিথী হিসেবে , যারা তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ৷
  • একজন মানুষের কথা রায়েলিয়ানরা কিভাবে বিশ্বাস করেন ?
    রায়েলের বই গুলোতে যা বর্ণনা করা আছে তা সমস্তই নিশ্চত এবং সমর্থিত হয়েছে প্রাচীন ধর্মীয় লেখনি , লোককথা ও ঐতিহ্য় এবং সেই সাথে আধুনিক বিঞ্গান দ্বারা ৷ মানুষ এবং অন্য় গ্রহের সত্তার সাখ্খাতের প্রমাণ পাওয়া যাবে সকল মহাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে ; এবং যদি আপনারা লখ্খ্য় করেন তাহলে দেখতে পাবেন , বর্তমান সময়ের সকল বৈঞ্গানিক উন্নয়নের কথা
    ইতোমধ্য়েই রায়েল ৩২ বছর আগে ঘোষনা করেছেন ৷ রায়েলিয় দর্শন হল বোঝার জন্য় , বিশ্বাস করার জন্য় নয় ; তাই স্বয়ং রায়েলও বলেন তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করতে বরং আপনি নিজেই পর্যবেখ্খন করে দেখুন কোনটা আপনার কাছে সত্য় বলে মনে হয় ৷