এই বইয়ে বহির্জাগতিক সভ্যতা বিষয়ক সাহিত্য; ডাউনলোড করুন
এবং আপনার নিজের জন্যই না হয় একবার পড়ে দেখুন!

রায়েলিয়া আন্দোলন

বার্তা

শত শতাব্দি ধরে পৃথিবীর বিজ্ঞানী-মহাজ্ঞানীরা মানব জীবনের সূচনা ও প্রকৃত অর্থের সম্ভাবনা নিয়ে বহু তর্ক-বিতর্ক ও আলোচনা করেছেন এবং ত্বত্ত উদ্ভাবন করেছেন। কেউ কেউ অতি উচ্চমার্গীয় তাত্বিক দিক নিয়ে আশাবাদী, কিন্তু তারা কোন তত্বেরই বিশেষ কোন উন্নতি সাধন করতে পারেন নি যেগুলো সৃষ্টিকর্তার ধারনা সর্ম্পকে শুধু যুক্তিহীন আলোচনাই করেছে।
কিন্তু ভিন্ন তত্ব কি যা দার্শনিক গভীরতার উভয় দিক নিয়ে আলোচনা করেছে?
এই বার্তার উদ্দেশ্য কি: হাজার হাজার বছর পুর্বে, অন্যগ্রহ থেকে আসা বিজ্ঞানীরা জীবনের রহস্য খুজতে গিয়ে পৃথিবীর সন্ধান পান এবং পৃথিবীতে সমস্ত প্রান সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের কাছে সংরক্ষিত ডিএনএ দ্বারা ক্লোনিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেদের প্রতিরুপেই তারা বর্তমান মানব সম্প্রদায়কেও সৃষ্টি করেছেন। ভিনগ্রহ থেকে আসা এই বিজ্ঞানীদের অস্তিস্থ পাওয়া যায় শুধু মাত্র অতিপুরান কাহিনীগুলোতে। তাদের এই অতি উন্নত প্রযুক্তির কারনে অতীতের সভ্যতা তাদের ঈশ্বর, ভগবান, আল্লাহ’সহ বিভিন্ন নামে আখ্যায়িত করেছে এবং তাদেরকে “ইলোহিম” নামেও তাওরাত, জবুর ইঞ্জিল তথা বাইবেলসহ বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ ও পুরানে আথ্যায়িত করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে হিব্রু ভাষায় “ইলোহিম” শব্দের অর্থ “যারা নক্ষত্র থেকে এসেছে”।
যদিও ইলোহিম বহুবাচক শব্দ কিন্তু ভুল অনুবাদের কারনে শব্দটি একবাচক শব্দ ‘ইশ্বর বা God’এ রুপান্তরিত হয়েছে।
যাইহোক, যারা আকাশ থেকে এসেছে; (ইলোহিম ) বিভিন্ন বার্তাবাহকের মাধ্যমে পৃখিবীর মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন যাদেরকে “নবী” বলা হয়। প্রত্যেক নবীই তার পুর্ববর্তী নবীদের চেয়ে ভাল ও সময়োপযুগী কোন বার্তা বহন করে আনত। যখন মানব সভ্যতা বিজ্ঞানে যথেষ্ট উন্নতি সাধন করল তখন ইলোহিমরা সিদ্ধান্ত নিলেন মানুষের সাথে সাক্ষাত করার এবং তাদের সর্বশেষ বার্তা মানব জাতিকে উপহার দিবে স্থির করলেন। এবং রায়েল দুটো দায়িত্বে অপির্ত হয়েছেন: বহি:জাগতিদের সর্বশেষ বার্তা পৃখিবীতে ছড়িয়ে দিতে হবে এবং আমাদের স্রষ্টা ইলোহিমদের পৃখিবীতে স্বাগত জানানোর জন্য একটি দুতাবাস তৈরী করতে হবে।

তর্কবাগিসরা আস্তিক ও নাস্তিকদের সেই পুরোনো বিকর্ত সমাধানের জন্য “ইন্টিলিজেন্ট ডিজাইন থিওরী”র প্রবর্তন করল। এটা বর্তমানের বিজ্ঞানের আবিস্কারের জন্য গুরুত্বপুর্ন কিন্তু তবুও এটা প্রত্যেক সংস্কৃতির অতি পুরোনো ধারনা মাত্র।
নিজের বিজ্ঞান গবেষনা ও ‍নিজেকে জানার জন্য “ইন্টিলিজেন্ট ডিজাইন- মেসেজ ফ্রম ডিজাইনারস” বইটি পড়ুন।
আমরা নিশ্চয়তা দিচ্ছি আপনী উপলব্ধি করতে পারবেন যে পুর্বে আপনী কখনো এভাবে পৃখিবীকে দেখেন নি এবং ভবিষ্যতেও না!