এই বইয়ে বহির্জাগতিক সভ্যতা বিষয়ক সাহিত্য; ডাউনলোড করুন
এবং আপনার নিজের জন্যই না হয় একবার পড়ে দেখুন!

রায়েলিয়া আন্দোলন

প্রতিবছর যে হাজার হাজার ইউএফও‘র অবস্থান সর্ম্পকে জানা যায় সেইসব ইউএফও‘র বহি:জাগর্তিকদের সাখে প্রকৃতপক্ষে একজনই সাক্ষাত করেছিলেন- একজন ড্রাইভার যিনি সাক্ষাত করেছিল। পৃখিবীর মানব সম্প্রদায়ের জীবনের গোপন রহস্য এবং নিকট ভবিষ্যত সম্পর্কে এই বহি:জাগর্তিকরা কি কি তথ্য দিয়েছিলেন? এবং এই সমস্ত তথ্য সবকিছুই কি হাজার হাজার ‍মানুষ, ইতিহাসবিদ এবং বিজ্ঞানদের কৃতজ্ঞতা এবং সর্বসম্মতিক্রমে প্রকাশ করা হয়েছিল?
আপনী কি এমন একটি বই পড়ার জন্যই এতদিন অপেক্ষা করছেন?
এই উয়েব সাইটটি আপনাকে আপনার নিজের সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দিচ্ছে- অতিমাত্রিক বিস্ময়কর কিছু “বার্তা” যা নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে পৃখিবীর মানব সম্প্রদায়ের জন্য এসেছে।
মাত্র সাতাশ (২৭) বছর বয়সে, ক্লদ ভরিলহন যিনি বর্তমানে “রায়েল” নামে সুপরিচিত- একজন মটর কার ক্রীয়াবিদ ও সাংবাদিক পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। কিন্তু ১৯৭৩ সালের ১৩ই ডিসেম্বর যখন তিনি হাটতে বেরিয়েছিলেন, তার এই জীবন কর্মের আমুল পরিবর্তন আসল। তিনি বহি:জাগর্তিকদের সাখে সাক্ষাত করে জ্ঞানের সুউচ্চ প্রাসাদ জান্নাতুল ফেরদাউসে আহরোন করলেন এবং স্থায়ীভাবে তার জীবনে পরিবর্তন আসল। তারপর থেকে তিনি পৃখিবীকে পুর্নগঠন করার জন্য মিডিয়াতে সাক্ষাতকার ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্ব ভ্রমন করে যাচ্ছেন।
সেই দিন সম্পর্কে রায়েলের নিজের মুখের বর্ননা শুনুন।
বহি:জাগতিকদের সাক্ষাতের মাধ্যমে রায়েল তাদের কাছ থেকে মানব জীবন সম্পর্কে গুরুত্বপুর্ন বার্তা গ্রহন করেন। প্রাচীন ইতিহাস কিংবা মিখলজি, আধুনিক বিজ্ঞান, ধর্ম এমনকি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী সম্পর্কে আপনার আগ্রহ থাকলে আপনী এইসব বার্তা পড়ে জ্ঞানের নতুন দিগন্তে পদার্পন করতে পারবেন যা আপনাকে সত্য সন্ধানী হতে সাহায্য করবে।
এই ভিডিওতে রায়েল সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপুর্ন বিষয় সংক্ষেপিত করা হয়েছে।

ভিডিও